বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১২

সে অনেক বছর আগের কথা। আমেরিকা আর
বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দুই দেশের সেনারাই
বাংকারে লুকিয়ে থেকে যুদ্ধ করছে। ফলে কারো গায়েই
গুলি লাগছে না। তো এভাবে চলতে চলতেই
বাংলাদেশি সেনারা একটা বুদ্ধি বের করলো....
...
তাদের মধ্য থেকে একজন আমেরিকান সেনাদের
উদ্দেশ্যে বলল, 'ওই তদের মধ্যে জন কে রে?'
আমেরিকান বাংকার থেকে একজন বেরিয়ে এসে বলল,
'আমি জন!'
বাংলাদেশিরা তাকে গুলি করে মেরে ফেলল...
তারপর আবার ডাক দিলো, 'ও
ই স্মিথ আছস?'
আরেকজন আমেরিকান জবাব
দিল, 'আছি!'
তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো...
এবার আমেরিকানরা চিন্তায় পরে গেলো।
তারা ভেবে দেখল বাংলাদেশিদের
সাথে বুদ্ধিতে পারা যাবে না। তাই তারা ঠিক
করলো তাদের বুদ্ধি দিয়েই তাদের ঘায়েল করবে।
এবার এক আমেরিকান সেনা চেচিয়ে উঠল, 'ওই
মোখলেস আছস নাকি?'
বাংলাদেশি সেনারা বুঝল তাদের
বুদ্ধি ধরা খেয়ে গেছে। তাই তারা নতুনবুদ্ধি বের
করলো। পাল্টা চেচিয়ে বলল,'ওই মোখলেস
রে ডাকসে কেডা রে?!'
আমেরিকানটি বেরিয়ে এসে বলল, 'আমি ডাকসি!!'
তারপর ??
.
.
.
.
তারপর তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো!!!
এভাবে বাংলাদেশীরা যুদ্ধে জিতে গেল  DDDDDDDDDDDDDDD

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১২

অসাম জোকস :

একদিন সাদ্দাম, লাদেন ও বুশের বিচার
চলছিল। তাদের শাস্তি হলো ২০
করে বেত্রাঘাত।
বিচারক প্রথমে বুশকে বললেন শাস্তি
পাওয়ার আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কি?
বুশ বলল আমার
পিঠে একটি বালিশ বাধা হোক। বুশের
পিঠে বালিশ বাধা হল। ১০ বারি
...
দেওয়ার পর বালিশ গেল ফেটে।
বহু কষ্টে বুশ বাকি বেত্রাঘাত সইল।
এরপর লাদেন কে বলল
তোমার শেষ ইচ্ছা কি?
লাদেন বলল আমার
পিঠে দুইটা বালিশ বাধা হোক। তো লাদেন
কে কোন আঘাত সইতে হল না।
অবশেষে সাদ্দাম কে বলা হলো তোমার
শেষ ইচ্ছা কি?
.
.
.
.
.
.
"সাদ্দাম বলল, আমার
পিঠে বুশকে বাধা হোক!!!" :D
একজন ব্যাক্তি সেক্স এ ব্যাস্ত, সাথে পরে আছেন প্রোটেকশন !!

বহুক্ষন পরে শুক্রানুরা হাজির হল। হাজির হয়েই মহা বিরক্ত !!

শুক্রানুদের নেতা বললোঃ দেখো বন্ধুরা আমাদের বস কিভাবে মজা পাচ্ছে, আর আমাদের বেলুনে আটকে রেখেছে, নিজে ঠিকি মিলিত হচ্ছে অথচ আমাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে দিচ্ছেনা, এইটা কি ঠিক?? এসো আমরাও ডিম্বানুর কাছে যাই !!

একটা শুক্রানু বললোঃ কিভাবে??

শুক্রানুদের নেতা বললোঃ চল আমরা সবাই মিলে কনডম এর গায়ে জোরে ধাক্কা দেই !!

সব সুক্রানুরা চিৎকার করে বললোঃ চল যাই, চল যাই !!

তারা সবাই মিলে কন্ডমের গায়ে জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করলো,
কয়েকবার ধাক্কা দিতেই, কনডম ফুটো হয়ে গেলো !!

শুক্রানুদের নেতা চিৎকার করে বললোঃ আগাও !! আগাও !!

সবাই, হুড়োহুড়ি করে এগুতে লাগলো...

হটাৎ তারা দেখলো, তাদের নেতা উলটো পালাচ্ছে আর বলছেঃ পিছাও, পিছাও !!

সবাই জিজ্ঞেস করলোঃ কেনো??? কেনো????

শুক্রানুদের নেতা রাইগা গিয়া কইলোঃ সামনে হাগু, সামনে হাগু ...↓↓↓





→ → → → → → → → → → → → → → শালার বেটা হারামজাদায় পিছন দিক দিয়া ঢুকাইসে!!!! :P

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

গত কয়েকদিন যাবৎ ই তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল কিন্তু তোমার কোনো দেখা পাইনি

আর ...
আজ যখন সকল আশা ছেড়ে তোমাকে ভুলার চেষ্টা করছি ঠিক সেই সময়ই তুমি আমার চোখের সামনে চলে এলে...

...
আমার সাথেই কেন এমন হয়...
যখন তোমাকে ভালবাসি তখন তুমি দূরে চলে যাও....
আর যখন তোমাকে ভুলতে চাই ঠিক তখনই তুমি আমার সামনে চলে আসো....

তবে কি আমি কোনদিন ও তোমাকে ভুলতে পারবো না......:( :(

 
 
মেয়ে:♥♥♥♥

জানি চিঠিটা পড়ার পর আমায়
...
ঠিক যতটা ভালবাসো,
তারও অনেক বেশি ঘৃণা করবে,
কিন্তূ আমি আর তোমাকে ঠকাতে পারবনা বলে আজ আর আসতে পারলামনা, বন্ধুদের সাথে বাজী ধরে
তোমায় ভালবেসেছি....
অন্য কারো জীবনের সাথে জড়িয়ে
আছে আমার জীবন,
আমি "নাহিদ" কে ভালবাসি,
বাজীর এই খেলায় বন্ধুদের হারাতে যেয়ে তোমার ভালবাসার কাছে
আমিই হেরে গেলাম,
আর জিতে গিয়েও আমি নিজের
কাছে পরাজিত.... যদি
কখনো পারো আমায় ক্ষমা করে দিও :-(


ছেলে:♥♥♥♥♥♥

চাইলেই হয়তো তোমাকে ছাড়া
বেঁচে থাকতে পারতাম,
জানি কষ্ট হতো তবে অসম্ভব ছিলনা।
কিন্তু বেঁচে থাকলেতো বাকি জীবনটা
তোমাকে ঘৃণা করে বাঁচতে হবে।
তোমায় এতো বেশী ভালবেসেছি যে
তোমাকে কখনো ঘৃণা করতে হবে একথা
এক মুহূর্তের জন্যও ভাবিনি।
ভাববোই বা কেন?
আমার ভালবাসাতো বাজী ছিলোনা।
আজ আমার এই ভালবাসাকেই আমি ঘৃণার কাছে এত সহজে হেরে যেতে দেই কি করে বলো....?
তাই ঘৃণা করে বেঁচে থাকার
চেয়ে তোমায় ভালবেসেই
চলে গেলাম. . . . . . .।

 coll............
সাহারা খাতুন খুব
একটা ভালো ছাত্রী না,
ক্লাসে ঘুমায়। একদিন
ক্লাসে সাহারা ঘুমিয়ে পড়লে ক্লাসটিচার
তাকে জিজ্ঞাস
...
করলো,
“পৃথিবী কে তৈরি করছে?”

যে মুহুর্তে সাহারা উত্তর
দিবে ঠিক তখন পিছন
থেকে বজ্জাত আবুল
পিন দিয়ে পাছার
মধ্যে দিছে এক গুতা।
গুতা খেয়ে সাহারা চিত্‍কার
করে বলে ওঠে __“ওহ
গড………”।

ক্লাস টিচার
সন্তুষ্ট হয়ে বললেন ”
ভেরী গুড” কিছুক্ষন
পর আবার
ঘুমিয়ে পড়লে ক্লাসটিচার
প্রশ্ন করলেন,
“কে তোমাকে জন্ম
দিয়েছেন?”
সাহারা গুতা খেয়ে, “ও
আম্মাগো………”

ক্লাস
টিচার আবারও
সন্তুষ্ট হলেন।
অনেকক্ষন
কেটে যাওয়ার পর
সাহারা আবার
ঘুমিয়ে পড়ল, তাই
ক্লাসটিচার আবার
জিজ্ঞাস করলেন,
“ধর তোমরা ২০ ভাই-
বোন, ২১ তম সন্তান
জন্ম দেয়ার পর
তোমার আম্মা তোমার
আব্বাকে কি বলবে?”

সাহারা ফ্যাল ফ্যাল
করে দাঁড়িয়ে আছে জবাব
না দিতে পেরে। এই
সময় পিছনের
বজ্জাত আবুল আবার
পিন দিয়ে গুতা মারে।
এইবার
সাহারা রাগে চিত্‍কার
করে চেচিয়ে ওঠে,
|
|
|
|
|
|
|
|
=> “আবার যদি গুতা দেও
তাইলে তোর
ঐটা ভেঙ্গে ফেলমু” :D